Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

শিরোনাম
ঈদের আগে হচ্ছে না ‘আবরার আহমেদ ফুটওভার ব্রিজ’
বিস্তারিত

ঢাকা:

 চিঠি ছোড়াছুড়িতে সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠলেও আসছে ঈদুল ফিতরের আগে শেষ হচ্ছে না ‘আবরার ফুটওভার ব্রিজের’ নির্মাণ কাজ।

 

নির্মাণের ঘোষণার প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও নিরাপদে কুড়িল সড়ক পারাপারের জন্য ফুটওভার ব্রিজ পেতে পথচারীদের অপেক্ষা করতে হবে আরও অন্তত এক মাস। 

গত ১৯ এপ্রিল প্রগতি সরণি এলাকায় সু-প্রভাত বাসের চাপায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর শিক্ষার্থী আবরার আহম্মেদ চৌধুরী নিহত হন। সেদিনই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম সড়কটিতে দুই মাসের মধ্যে একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের ঘোষণা দেন। সেই ঘোষণার প্রায় দুই মাস অতিবাহিত হওয়ার পর রোববার (১২ মে) থেকে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের মূল কাজ শুরু হয়।

পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ব্রিজটি নির্মাণ করে দেওয়া পিইবি স্টিল এলায়েন্স লিমিটেড সূত্রে জানা যায়, নির্মাণ কাজ শুরু থেকে এক মাস সময় লাগতে পারে ব্রিজের কাজ সম্পূর্ণ হতে। তবে আসছে ঈদের কারণে এ সময় আরও দীর্ঘ হতে পারে।

পিইবি স্টিল এলায়েন্সের সহকারী ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী ইফাত জাহান বাংলানিউজকে বলেন, সাধারণত এ ধরনের ফুট ওভারব্রিজ তৈরিতে পাইলিংয়ের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু এখানকার মাটি খুব নরম হওয়ায় পাইলিং করা লাগছে। এদিকে সামনে আসছে ঈদ। ঈদের ছুটি পড়ে গেলে সময় আরও বেশি লাগবে। তবে আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত কাজ শেষ করার। এদিকে রমজান মাস অপরদিকে গরমের তীব্রতা। এই সময়ে শ্রমিকদের কাছ থেকে কাজের গতি বেশি পাওয়া যাবে না। তাই ঈদের ছুটির ফাঁদে পড়ে যেতেও হতে পারে। 

এদিকে, কাজের ধীরগতির জন্য এখনও ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানিকে (ডেসকো) দায়ী করছেন ডিএনসিসি’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. আরিফুর রহমান। 

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ফুট ওভারব্রিজটি যেখানে হচ্ছে সেখানে ডেসকো’র সংযোগ লাইন এবং ট্রান্সফরমার রয়েছে। আমরা বারবার বলার পরেও তারা সেটি সরাচ্ছে না। এমনকি এটা সরাতে যে অর্থ ব্যয় হবে সেটিও সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবুও তারা সরাচ্ছে না। এই অবস্থায় কাজ করাও খুব ঝুঁকিপূর্ণ। আরও এক সপ্তাহ আগে পাইলিং শুরু করার কথা ছিল কিন্তু ডেসকো’র জন্য দেরিতে পাইলিং শুরু হয়েছে। এখন পাইলিং ড্রাইভ করতে পারছি না। উপরের তারের সঙ্গে লেগে গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেতে পারে। 

তিনি আরও বলেন, ব্রিজের স্টিলের মূল অংশ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এটি দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে। তবে সমস্যা হচ্ছে আমরা যতই মাটি খনন করছি ততই গার্বেজ (বর্জ্য) বের হচ্ছে। তাই পাইলিং ড্রাইভ দরকার। আর এটা যত তাড়াতাড়ি করা যাবে, তত দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ হবে। কিন্তু ডেসকো’র জন্য আমরা সেই পাইলিং ড্রাইভ শুরু করতে পারছি না। 

এদিকে, ডেসকো’র সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, ডেসকো’র এমডি’র সঙ্গে আমার অফিসে মিটিং হয়েছে।ট্রান্সফরমার সরাতে ইতোমধ্যে আমরা ৫৩ লাখ টাকা পরিশোধ করেছি। তারা দ্রুত ট্রান্সফরমার সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। 

তিনি আরও বলেন, পাইলিং এরপর লোড ড্রাইভ হয়ে গেলে আর বেশি সময় লাগবে না। আমি দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এই ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের কথা বলেছিলাম। ইনশাল্লাহ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই তা শেষ হবে। 

প্রকাশের তারিখ
14/05/2019
আর্কাইভ তারিখ
15/05/2019